{{ news.section.title }}
কমলো রুপার দাম, ভরিতে কত?
দেশের বাজারে স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার প্রতি ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৪৯১ টাকা।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। সংস্থাটি জানায়, নতুন মূল্য মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকেই সারাদেশে কার্যকর হয়েছে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি রুপা (পিওর সিলভার)-এর দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ৪ হাজার ৪৯১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ২৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৭৪১ টাকা।
এর আগে সর্বশেষ গত ২৭ জুন রুপার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় প্রতি ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪ হাজার ৪৬৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। নতুন সেই মূল্য একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছিল।
চলতি বছরে এ নিয়ে দেশের বাজারে মোট ৫১ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে ২৫ দফা দাম বেড়েছে এবং ২৬ দফা কমানো হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার দাম বৃদ্ধি এবং ৩ বার দাম কমানো হয়েছিল।
এদিকে একই দিনে স্বর্ণের দামেও বড় ধরনের সমন্বয় এনেছে বাজুস। প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৮৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪১ দফা দাম বেড়েছে, ৪২ দফা কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।