{{ news.section.title }}
ঘরে বসেই অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট করবেন যেভাবে
টিন সার্টিফিকেট বা ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) হলো একটি একক শনাক্তকরণ নম্বর, যা বাংলাদেশে করদাতাদের পরিচয় নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়। এটি করদাতার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইডি হিসেবে কাজ করে এবং আয়কর-সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজে অপরিহার্য।
এই নম্বরের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) করদাতাদের আয়, কর পরিশোধ এবং আর্থিক তথ্য সহজে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
টিন সার্টিফিকেট এখন আর শুধু নির্দিষ্ট পেশার মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই - বরং এটি অনেক দৈনন্দিন আর্থিক ও প্রশাসনিক কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
টিন সার্টিফিকেট কী কাজে লাগে
- ব্যবসার লাইসেন্স নিতে
- নতুন গাড়ি ক্রয়করতে
- ব্যাংক থেকে ক্রেডিট কার্ডনিতে
- সিটি কর্পোরেশন বাপৌর এলাকায় জমি কেনাবেচায়
- কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করতে
- নির্বাচনে প্রার্থী হতে
- আইনজীবী, ডাক্তার বা প্রকৌশলী হিসেবেনিবন্ধনে
- ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য হতে
- আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে অংশ নিতে
- সরকারি বা আধা-সরকারিটেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে
- রাইড শেয়ারিং সেবায় (যেমন উবার, পাঠাও) যুক্ত হতে
- অনলাইন আয় (ফ্রিল্যান্সিং, ইউটিউব, ফেসবুক) করতে
টিন করতে যা যা লাগবে
- জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)
- বর্তমান ঠিকানা
- জেলা ও বিভাগ
- একটি সচল মোবাইলনম্বর
- বৈবাহিক তথ্য (প্রযোজ্য হলে)
আবেদন করার সময় যা করতে হবে
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর ওয়েবসাইটে গিয়েরেজিস্ট্রেশন করতে হবে
- সব তথ্য ইংরেজিতেদিতে হবে
- একটি ইউনিক ইউজারনেমনির্বাচন করতে হবে
- শক্তিশালী পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে
- সিকিউরিটি প্রশ্ন নির্বাচন করতে হবে (ভবিষ্যতেকাজে লাগবে)
ই-টিন আবেদন প্রক্রিয়ার ধাপসমূহঃ -
ধাপ–১:
প্রথমেই আবেদনকারীকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-টিন নিবন্ধন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে
https://secure.incometax.gov.bd/TINHome
এরপর ‘রেজিস্টার’ অপশনে ক্লিক করলে ব্যবহারকারীকে আবেদন ফর্মে নিয়ে যাওয়া হবে।
ধাপ–২
- এই পর্যায়ে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে এবং সব তথ্য ইংরেজিতে পূরণ করতে হবে।
- প্রথমে একটি ইউজারনেম নির্বাচন করতে হবে, অনেকেই এখানে এনআইডি নম্বর ব্যবহার করেন।
- এরপর একটি পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে।
- একই পাসওয়ার্ড আবার ‘রিটাইপ পাসওয়ার্ড’ ঘরে লিখে নিশ্চিত করতে হবে।
- তারপর একটি ‘সিকিউরিটি কোয়েশ্চান’ বেছে নিতে হবে (যেমন: জন্মস্থান, প্রিয় রং ইত্যাদি)।
আবেদন শেষে যেসব বিষয় মনে রাখবেন
- ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড অবশ্যই সংরক্ষণ করে রাখতে হবে।
- ভবিষ্যতে লগইন বা তথ্য পরিবর্তনের জন্য এগুলো প্রয়োজন হবে।
- ভুল তথ্য প্রদান করলে পরবর্তীতে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন, তাই শুরুতেই সঠিক তথ্য দেওয়া জরুরি।