দলীয় মাস্তানদের নিয়ন্ত্রণ করুন, না হলে পালানোর পথ পাবেন না: হামিদুর রহমান

দলীয় মাস্তানদের নিয়ন্ত্রণ করুন, না হলে পালানোর পথ পাবেন না: হামিদুর রহমান
ছবির ক্যাপশান, দলীয় মাস্তানদের নিয়ন্ত্রণ করুন, না হলে পালানোর পথ পাবেন না: হামিদুর রহমান

সরকারের উদ্দেশে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, দলীয় মাস্তানদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, না হলে জনগণ তাদের প্রতিহত করবে। তখন পালানোর পথও পাওয়া যাবে না।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল দুপুরে ফরিদপুর শহরতলীর মুসলিম মিশন মিলনায়তনে উপজেলা ও থানার আমির, নায়েবে আমির এবং সেক্রেটারি সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

 

ডাকসুর নেতাদের ওপর হামলার প্রসঙ্গ তুলে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হলো থানা। অথচ ছাত্রনেতারা থানায় গিয়ে হামলার শিকার হন। তিনি প্রশ্ন রাখেন, তাদের অপরাধ কী ছিল।

 

বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, শিবিরকে রগ কাটার অপবাদ দেওয়া হয়। কিন্তু চট্টগ্রামে দেখা গেছে, তার দলের নেতাকর্মীর পায়ের রগ কেটেছে কারা।

 

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রয়োজন হলে আবারও জুলাইয়ের মতো আন্দোলন হবে। এখনও সময় আছে, জনগণের ভাষা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি নিজ দলের নেতাকর্মীদের আগামী আন্দোলনের জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।

 

জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা অভিযোগ করেন, সংসদে মানুষের মৌলিক অধিকারের অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে। তার দাবি, যেসব অধ্যাদেশ পাস করা হয়েছে, সেগুলো মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য যথেষ্ট নয়।

তিনি বলেন, সরকারের কাছে প্রশ্ন, আবার কি আয়নাঘর ও গুমের মতো ঘটনা তৈরি করে বিরোধী দলকে দমন করা হবে।

 

হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, বর্তমান সরকার প্রধান নির্বাচনের আগে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেও সমর্থন চেয়েছিলেন। একই তপশিলের দুটি ভোটে অংশ নিয়ে একটি শপথ গ্রহণ করা হলেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের রায়কে ছুড়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

তার ভাষায়, দেশের ৭০ ভাগ মানুষের রায় এভাবে উপেক্ষা করা যায় না। দেশ কোনো একক সরকারের নয়, এটি সবার বাংলাদেশ।

 

সম্মেলনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ফরিদপুর জেলা আমির মাওলানা বদরুদ্দীন, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য শামসুল ইসলাম বরাটি, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য প্রফেসর আবদুত তাওয়াব ও ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
 


সম্পর্কিত নিউজ