{{ news.section.title }}
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের জার্সিতে ফিরছেন নেইমার
ব্রাজিল ভক্তদের বহুদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের মঞ্চেই। প্রায় আড়াই বছরেরও বেশি সময় জাতীয় দলের বাইরে থাকার পর আবারও ব্রাজিলের বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি গায়ে মাঠে নামার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন দলের সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার। গ্রুপ পর্বের শেষ ও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে নেইমার দলে থাকছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৫টায় মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত হবে ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচ। নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে সেলেসাওরা। তাই ম্যাচটিকে ঘিরে সমর্থকদের আগ্রহ তুঙ্গে।
ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে নেইমারের শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বেশ প্রাণবন্ত মেজাজে দেখা যায় আনচেলত্তিকে। তিনি জানান, নেইমার পুরোপুরি ফিট এবং গত কয়েকদিন দলের সঙ্গে নিয়মিত ও ভালো মানের অনুশীলন করেছেন। তার মতে, নেইমারের মতো অভিজ্ঞ ও বিশ্বমানের একজন ফুটবলারের ফেরাটা শুধু আক্রমণভাগ নয়, পুরো দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়।
নেইমার শুরু থেকেই একাদশে থাকবেন কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে রসিকতা করেন আনচেলত্তি। তিনি বলেন, “আমি যদি এই বয়সে ৯০ মিনিট হেঁটে থাকতে পারি, তাহলে নেইমার নিশ্চয়ই ৯০ মিনিট দৌড়ে খেলতে পারবে।” কোচের মতে, মাঠে খেলুক বা না খেলুক, নেইমারের উপস্থিতিই দলের জন্য বাড়তি শক্তি। বিশেষ করে তরুণ ফুটবলারদের জন্য তার অভিজ্ঞতা এবং নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, সবশেষ ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর উরুগুয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে ব্রাজিলের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন নেইমার। মন্টেভিডিওতে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে গুরুতর চোটে পড়ার পর স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাকে। এরপর দীর্ঘ ৯৮০ দিন জাতীয় দলের বাইরে কাটাতে হয়েছে এই তারকা ফরোয়ার্ডকে। বর্তমানে ৩৪ বছর বয়সী নেইমারের জন্য এটি শেষ বিশ্বকাপ হওয়ায় তার প্রত্যাবর্তন ঘিরে ব্রাজিল শিবিরে তৈরি হয়েছে বিশেষ উচ্ছ্বাস।
টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ড্র করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতিকে হারিয়ে নকআউটের আশা জিইয়ে রেখেছে ব্রাজিল। ফলে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে সমর্থকদের বড় একটি অংশের নজর রয়েছে তরুণ সেনসেশন এনড্রিকের দিকে। তাকে একাদশে দেখতে মুখিয়ে আছেন অনেক ভক্ত। বিষয়টি নিয়েও মজা করেছেন আনচেলত্তি। তিনি বলেন, সমর্থকেরা এনড্রিককে দেখতে যেমন উদ্গ্রীব, তেমনি নেইমারের ফেরাও তাদের জন্য বড় আনন্দের বিষয়। ফলে গ্যালারিতে কার নামে বেশি স্লোগান উঠবে, তা নিয়ে হয়তো সমর্থকদের মধ্যেই মধুর প্রতিযোগিতা তৈরি হবে। তবে দিনশেষে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলপ্রেমীরা দুই তারকাকেই সমানভাবে ভালোবাসবেন বলেই বিশ্বাস কোচের।