{{ news.section.title }}
ফেনীতে অ্যাম্বুলেন্সে করে ভারতীয় মদ পাচার, আটক ২
জরুরি চিকিৎসা সেবার জন্য ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সকে মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহার করার অভিযোগে ফেনীর পরশুরামে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি বেসরকারি ক্লিনিকের অ্যাম্বুলেন্স জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে গাড়িটি থেকে ১১৭ বোতল ভারতীয় হুইস্কি উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (২০ জুন) সকালে ঢাকাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্সে তল্লাশি চালিয়ে এসব মদ উদ্ধার করে পরশুরাম মডেল থানা পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন অ্যাম্বুলেন্সচালক জসিম উদ্দিন (৫১) এবং মিনহাজুর রহমান ওরফে অমি (২১)। জসিম পরশুরাম উপজেলার পশ্চিম সাহেবনগর গ্রামের আলী আশরাফের ছেলে। অপরদিকে অমি দক্ষিণ কোলাপাড়া গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল আনুমানিক সোয়া ৭টার দিকে পরশুরাম মডেল থানার এসআই নাছির উদ্দিন ও এসআই রাজীব বৈরাগীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল চিথলিয়া ইউনিয়নের আলাউদ্দিন আহম্মেদ চৌধুরী নাসিম কলেজ সংলগ্ন ফেনী-পরশুরাম আঞ্চলিক সড়কে অবস্থান নেয়। এ সময় ঢাকাগামী একটি সন্দেহভাজন অ্যাম্বুলেন্স থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশির একপর্যায়ে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে থাকা ছোট-বড় আটটি কার্টন থেকে ১১৭ বোতল ভারতীয় হুইস্কি উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বোতলের ধারণক্ষমতা ৭৫০ মিলিলিটার বলে জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধারকৃত মদগুলো সুকৌশলে কার্টনের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
ঘটনার পরপরই অ্যাম্বুলেন্সে থাকা দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে উদ্ধার হওয়া মদ ও ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সটি জব্দ করা হয়।
এদিকে ঘটনাকে ঘিরে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পরশুরাম ক্লিনিকের অন্যতম মালিক নবী চৌধুরী দাবি করেছেন, হাসপাতাল রোডের একটি ফার্মেসির মালিক অ্যাম্বুলেন্সচালকের কাছে কার্টনগুলো দিয়েছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেগুলোকে ‘কাচের জিনিসপত্র’ বলে পরিচয় দেওয়া হয়েছিল এবং ফেনী পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়।
তবে ঘটনার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট ফার্মেসিটি বন্ধ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ফার্মেসির মালিক প্রিতম পালকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।