{{ news.section.title }}
‘তদবির ছাড়া ফাইল এগোয় না’ অভিযোগ ভিত্তিহীন, দাবি লোহাগাড়া উপজেলা ভূমি অফিসের
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ‘লোহাগাড়ায় তদবির ছাড়া এগোয় না ফাইল’ শিরোনামের প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও একপেশে বলে দাবি করেছে উপজেলা ভূমি অফিস।
এ বিষয়ে লোহাগাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মং এছেন এক লিখিত বক্তব্যে বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে কোনো নাগরিক সেবা পেতে তদবির বা সরকার নির্ধারিত ফি ব্যতীত অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হয়—এমন অভিযোগের পক্ষে নির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ, দালিলিক উপাত্ত কিংবা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়নি। ফলে সামগ্রিকভাবে একটি সরকারি দপ্তর ও উপজেলার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, প্রতিবেদনে তার নামে যে বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকের সঙ্গে তার কোনো ধরনের আলাপ বা সাক্ষাৎকার হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
প্রতিবেদনে উদ্ধৃত ভূমি অফিসের কর্মচারীদের বক্তব্য সম্পর্কেও ব্যাখ্যা দিয়েছে উপজেলা ভূমি অফিস। সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, প্রতিবেদনে যার বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয়েছে, সেই কর্মচারী রবিউলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের কোনো কথোপকথন হয়নি।
এছাড়া সার্ভেয়ার-কাম-কানুনগো নূরে আলমের বিষয়ে তিনি বলেন, একজন সাংবাদিক বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে নূরে আলম ব্যক্তিগত মন্তব্য না করে অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছিলেন। এর বাইরে কোনো বক্তব্য তিনি দেননি বলে দাবি করা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ভূমি সংক্রান্ত কোনো ব্যক্তিগত বা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট কাজ না থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক নিয়মিত দীর্ঘ সময় ভূমি অফিসে অবস্থান করতেন, যা দপ্তরের নজরে এসেছে।
এদিকে, ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রকাশের ফলে একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে এবং নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করেছে উপজেলা ভূমি অফিস।
এ অবস্থায় প্রকাশিত অভিযোগের বিষয়ে তাদের অবস্থান জনসম্মুখে তুলে ধরার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছে লোহাগাড়া উপজেলা ভূমি অফিস।