{{ news.section.title }}
নারী শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছনার অভিযোগে জাবি শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. হাসানুর রহমানকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী নবাব সলিমুল্লাহ হলের আবাসিক ছাত্র।
অফিস আদেশে বলা হয়, একজন নারী শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮’-এর ৪(১)(খ) ধারা অনুযায়ী তাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কারকালীন সময়ে তিনি ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলে অবস্থান করতে পারবেন না।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বঙ্গবাজারগামী একটি বাসে ওই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, বাসে এক নারী শিক্ষার্থীর অজান্তে তার ছবি তোলেন হাসানুর রহমান। বিষয়টি ধরা পড়লে তিনি মোবাইল ফোনটি ফেরত নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে এবং তিনি আহত হন।
পরে অভিযুক্ত মোবাইল ফোন নিয়ে বাস থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করলে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করে ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনেন এবং প্রক্টরিয়াল টিমের কাছে সোপর্দ করেন।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা অফিসে প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে দেওয়া লিখিত জবানবন্দিতে অভিযুক্ত অনুমতি ছাড়া ছবি তোলা এবং ধস্তাধস্তির সময় নারী শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি স্বীকার করেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই আমরা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলি। লিখিত অভিযোগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীর পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাভার থানায় মামলা করবে। এছাড়া অভিযুক্তকে ইতোমধ্যে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।