চিরকুটে শিক্ষকের নাম লিখে ঢাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

চিরকুটে শিক্ষকের নাম লিখে ঢাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
ছবির ক্যাপশান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুনিরা মেহজাবিন মিমো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনায় তার বিভাগের এক শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। মুনিরা মাহজাবিন মিমো নামের ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা। তিনি জানান, মিমো ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং বাড্ডায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন।

 

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আত্মহত্যার আগে একটি চিরকুটে মিমো একজন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে গেছেন। তার মোবাইল ফোন থেকেও কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এসব আলামতের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় পুলিশ।

 

একই ঘটনায় মিমোর এক ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে।

 

বিভাগের চেয়ারম্যান তামান্না হক সিগমা বলেন, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার দিকে তারা মৃত্যুর খবর পান। পরে বিভাগের শিক্ষকরা বাড্ডার বাসায় যান। তিনি জানান, মোবাইল ফোনে পাওয়া কিছু তথ্যের ভিত্তিতে একজন শিক্ষকের সঙ্গে মিমোর সম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে এসেছে।

 

তিনি আরও বলেন, আকস্মিক এ মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চান তারা।

 

গুলশান জোনের বাড্ডা এলাকার এডিসি জুয়েল জানান, ওই শিক্ষার্থীর বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

 

তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া কিছু আলামতের ভিত্তিতে বিভাগের একজন শিক্ষককে আপাতত হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাখা হয়েছে।
 


সম্পর্কিত নিউজ