মে মাসে জ্বালানি তেলের রপ্তানি বাড়াবে চীন, তালিকায় বাংলাদেশও

মে মাসে জ্বালানি তেলের রপ্তানি বাড়াবে চীন, তালিকায় বাংলাদেশও
ছবির ক্যাপশান, মে মাসে জ্বালানি তেলের রপ্তানি বাড়াবে চীন, তালিকায় বাংলাদেশও

মে মাসে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের রপ্তানি বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে চীন। রপ্তানি গন্তব্যের তালিকায় বাংলাদেশও রয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিং মে মাসে ৫ লাখ মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে। এটি এপ্রিলের তুলনায় বেশি হলেও গত বছরের গড় রপ্তানির তুলনায় অনেক কম।

 

পণ্য পরিবহন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ভর্টেক্সার হিসাবে, চলতি এপ্রিলে চীনের জ্বালানি রপ্তানি ছিল প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার টন। অন্যদিকে কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চীনের মাসিক গড় রপ্তানি ছিল প্রায় ১৬ লাখ টন।

রপ্তানির গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কাসহ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের কয়েকটি দেশের নাম উল্লেখ করেছে রয়টার্স। রপ্তানির পরিমাণ ও গন্তব্য এবার সরকারিভাবে নির্ধারণ করে দেওয়া হচ্ছে।

 

গত মার্চ থেকে চীন জ্বালানি রপ্তানিতে কড়াকড়ি আরোপ করে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত ও হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ নিরাপদ রাখতে এই পদক্ষেপ নেয় বেইজিং।

 

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনোপেক ও সিএনপিসিসহ কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি কোম্পানি ডিজেল ও গ্যাসোলিন রপ্তানির পারমিটের জন্য আবেদন করেছে।

 

রয়টার্স জানিয়েছে, মে মাসের অনুমোদিত রপ্তানির বড় অংশ সিনোপেক পেতে পারে। এরপর রয়েছে পেট্রোচায়না ও সিএনওওসি। ডিজেল ও জেট ফুয়েল অনুমোদিত রপ্তানির উল্লেখযোগ্য অংশ হতে পারে।

 

বিশ্ববাজারে ডিজেল ও জেট ফুয়েলের সরবরাহ সংকটের মধ্যে চীনের এই সিদ্ধান্ত আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশও এ তালিকায় থাকায় জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা স্বস্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
 


সম্পর্কিত নিউজ