{{ news.section.title }}
সোনারগাঁয়ে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে যুবদলের এক নেতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগের পরপরই অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১২ জুন) সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের সিরাব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন জামপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহিদ (৪০) এবং শাহিন মিয়া।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারী স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে সিরাব এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। গত ১০ জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি রান্নাঘরে কাজ করছিলেন। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি তার মুখ চেপে ধরে এবং সন্তানদের ক্ষতির ভয় দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক পাশের একটি চারতলা ভবনের নিচতলার কক্ষে নিয়ে যায়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সেখানে তাকে হাত ও মুখ বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর অভিযুক্তরা স্থান ত্যাগ করলে তিনি কোনোভাবে বাসায় ফিরে আসেন। পরে সন্ধ্যায় তার স্বামী কর্মস্থল থেকে ফিরলে পুরো ঘটনা তাকে জানান।
এরপর ভুক্তভোগী নারী নিজে বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তদের শনাক্তে অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে মামলায় উল্লেখিত অন্যান্য অভিযুক্তদেরও শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। অভিযানে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে এবং মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সব তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে মামলার তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।