{{ news.section.title }}
যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে ‘অপ্রকাশিত’ শক্তি দেখাবে ইরান - আইআরজিসি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে আবারও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। দেশটির প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়ে দিয়েছে, সংঘাত পুনরায় শুরু হলে তারা এখনো অপ্রকাশিত সামরিক শক্তি সামনে আনতে প্রস্তুত।
আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি বলেন, ইরান তাদের সব ধরনের সামরিক সক্ষমতা এখনো প্রকাশ করেনি। প্রয়োজনে এমন অস্ত্র ও কৌশল ব্যবহার করা হবে, যা প্রতিপক্ষের জন্য পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত হবে।
তার ভাষায়, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে ইরান আধুনিক ও ভিন্নধর্মী যুদ্ধকৌশল প্রয়োগ করবে, যার মোকাবিলা করা প্রতিপক্ষের জন্য কঠিন হয়ে উঠবে। এমনকি এসব কৌশল সংঘাতের গতিপথও বদলে দিতে পারে বলে তিনি দাবি করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, আইআরজিসির এই বক্তব্য সরাসরি সামরিক প্রস্তুতির বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি কৌশলগত চাপ সৃষ্টিরও একটি অংশ। এতে একদিকে শক্তির প্রদর্শন রয়েছে, অন্যদিকে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষকে সতর্ক করার মনস্তাত্ত্বিক প্রয়াসও স্পষ্ট।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক আলোচনায় চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা না এলেও যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। ইসলামাবাদ–এ অনুষ্ঠিত বৈঠকের পরও দুই পক্ষের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে খুব শিগগিরই নতুন করে আলোচনায় বসার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার আরেক দফা বৈঠক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের সংঘাত থামাতে এবং যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে।
এই পুরো প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। ইসলামাবাদে বৈঠকের পরও তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি।
নতুন আলোচনার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে আবারও ইসলামাবাদের নাম উঠে আসছে। পাশাপাশি জেনেভা–কেও বিকল্প ভেন্যু হিসেবে বিবেচনায় রাখা হয়েছে, যেখানে তুলনামূলক নিরপেক্ষ পরিবেশে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হতে পারে।