{{ news.section.title }}
যুদ্ধবিরতি চলাকালেই লেবাননে হামলা, প্রাণ গেল ১৪ জনের
লেবাননে রোববারের ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুই শিশু ও দুই নারী রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩৭ জন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটাই ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী দিনের একটি।
ইসরায়েলি বাহিনী হামলার আগে দক্ষিণ লেবাননের কয়েকটি এলাকার বাসিন্দাদের সরে যেতে সতর্ক করে। পরে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, তারা হিজবুল্লাহর সদস্য ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে কামান ও বিমান হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে তাদের দাবি, লেবানন থেকে ছোড়া ড্রোন হামলায় ১৯ বছর বয়সী এক ইসরায়েলি সেনা নিহত এবং আরও ছয়জন আহত হয়েছেন।
আইডিএফ আরও জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে তিনটি ড্রোন পাঠিয়েছিল, তবে সেগুলো সীমান্ত অতিক্রমের আগেই ভূপাতিত করা হয়েছে। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানরত ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে এবং কেবল কূটনৈতিক আশ্বাসের ওপর নির্ভর করবে না।
গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। পরে ২৪ এপ্রিল সেটির মেয়াদ আরও তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে। কিন্তু যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হলেও মাটির পরিস্থিতিতে সংঘাত পুরোপুরি থামেনি; উভয় পক্ষই একে অপরকে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, লেবাননে আইডিএফ “সক্রিয়ভাবে এবং শক্তি প্রয়োগ করে” কাজ করছে। তার দাবি, হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ডই যুদ্ধবিরতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, তাই ইসরায়েল শুধু হামলার জবাব নয়, সম্ভাব্য তাৎক্ষণিক হুমকি ঠেকাতেও অভিযান চালানোর স্বাধীনতা রাখে।
সামরিক ও কূটনৈতিক ভাষ্যের বাইরে মানবিক উদ্বেগও বাড়ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল লিতানি নদীর উত্তরের কয়েকটি শহর ও গ্রাম পর্যন্ত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, যা ঘোষিত বাফার জোনের বাইরের এলাকা। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স