{{ news.section.title }}
ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে প্রাণহানি ‘ভয়াবহ’, সহায়তার আশ্বাস ট্রাম্পের
ভেনেজুয়েলায় সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি দেশটির জনগণের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সহায়তার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।
ট্রাম্প তার পোস্টে বলেন, ভেনেজুয়েলার জনগণের ওপর আঘাত হানা দুটি বড় ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং প্রাণহানির সংখ্যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত, আগ্রহী এবং সক্ষম।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, তিনি তার প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রাথমিক প্রতিবেদনগুলো আশাব্যঞ্জক নয় এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র আরও উদ্বেগজনক হতে পারে।
এদিকে, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে পরিচিত ডেলসি রদ্রিগেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ভূমিকম্প-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
রদ্রিগেজ আরও জানান, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা ভেনেজুয়েলার প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চিলির প্রেসিডেন্টসহ আরও কয়েকজন নেতার পাঠানো বার্তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, জরুরি সেবা সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবীরা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কাজ করছেন। আন্তর্জাতিক সহায়তার বিভিন্ন প্রস্তাবও ভেনেজুয়েলার কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ জুন) অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে হওয়া এই কম্পনে বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বহু মানুষ আহত হন।
ডেলসি রদ্রিগেজের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং প্রায় ৭০০ জন আহত হয়েছেন। তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনও প্রকাশ করা হয়নি এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভূমিকম্পের কারণে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থাও ব্যাহত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে জরুরি সেবা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্র খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।