{{ news.section.title }}
পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের ভয়াবহ হামলা
পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশের সীমান্তবর্তী কয়েকটি এলাকায় আফগান বাহিনীর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে সংঘটিত এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। সাম্প্রতিক সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যে নতুন এই ঘটনার ফলে দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
বিবিসিসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেলুচিস্তানের সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় গোলাবর্ষণ ও ড্রোন ব্যবহারের অভিযোগ করেছে পাকিস্তান। দেশটির সেনাবাহিনী দাবি করেছে, আফগানিস্তান থেকে পাঠানো চারটি সামরিক ড্রোন তারা ভূপাতিত করেছে।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের হামলার জবাব কঠোরভাবে দেওয়া হবে। তারা সতর্ক করে বলেছে, ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনার কয়েক দিন আগেই আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে বিমান অভিযান চালায় পাকিস্তান। গত ২৮ জুন রাতে আফগানিস্তানের পাকতিয়া, পাকতিকা এবং কুনার প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, ওই হামলায় অন্তত ২৮ জন নিহত হন এবং নিহতদের সবাই বেসামরিক নাগরিক ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। অন্যদিকে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার দাবি করেছে, পাকিস্তানের ওই বিমান হামলায় অন্তত ৩৬ জন নিহত এবং প্রায় ১৬০ জন আহত হয়েছেন।
তালেবান প্রশাসন পাকিস্তানের এই অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘কাপুরুষোচিত’ এবং ‘নৃশংস’ হামলা বলে অভিহিত করেছে। তাদের অভিযোগ, বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে।
তবে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার ভিন্ন দাবি করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিমান অভিযানে ২৯ জন নিহত হয়েছেন এবং তারা সবাই সশস্ত্র জঙ্গি সদস্য ছিলেন। সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর অবস্থান লক্ষ্য করেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ।