{{ news.section.title }}
আলোচনায় ফিরতে ইরানকে ২ শর্ত দিল যুক্তরাষ্ট্র
ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার বৈঠক চূড়ান্ত সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে নতুন দফার সংলাপ শুরুর আগে তেহরানের সামনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রেখেছে ওয়াশিংটন। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী দুই দিনের মধ্যেই তেহরানের সঙ্গে নতুন দফার আলোচনা শুরু হতে পারে। তিনি দাবি করেন, উপযুক্ত ব্যক্তিরা ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং তারা একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী।
কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনায় ফেরার আগে যুক্তরাষ্ট্র মূলত দুটি শর্ত দিয়েছে।
আলোচনায় ফেরার আগে যুক্তরাষ্ট্রের দুই শর্ত
১. হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করতে হবে
ওয়াশিংটন চায়, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ও বাধাহীনভাবে জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র ‘পারস্পরিকতা’ নীতিতে অটল রয়েছে। অর্থাৎ, ইরান যদি এই পথে অন্য দেশের জাহাজ চলাচলে বাধা দেয়, তাহলে ইরানের নিজস্ব জাহাজ ও ট্যাংকার চলাচলও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
২. আইআরজিসির পূর্ণ অনুমোদন থাকতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া, আলোচনার জন্য আসা ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর পূর্ণ অনুমোদন থাকতে হবে। ওয়াশিংটন নিশ্চিত হতে চায়, নতুন করে যে কোনো আলোচনা বা সমঝোতা যেন ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের সব পক্ষের সম্মতিতে হয়।
এই দুই শর্তের বিষয়ে এখনো তেহরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এমনকি নতুন করে আলোচনায় ফেরার দাবিও প্রকাশ্যে স্বীকার করেনি ইরান। বরং তারা বারবার বলে আসছে, যুক্তরাষ্ট্রকে তারা বিশ্বাস করে না এবং চাপের মুখে কোনো সমঝোতায় যাবে না।
আরো পড়ুন : ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে তুরস্ক–পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ফোনালাপ
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নকে কেন্দ্র করে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে। টানা ৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর ৭ এপ্রিল থেকে দুই পক্ষ ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে যায়। সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আবারও কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি নতুন মোড় নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।